অগণিত ভক্ত সমাগমের মধ্য দিয়ে মায়াপুরে পালিত হলোরাধাষ্টমী
পুলক চক্রবর্তী, মায়াপুর,১৯ সেপ্টেম্বর,
শনিবার ইসকনের প্রধান কেন্দ্র শ্রীধাম মায়াপুর সহ বিশ্বব্যাপী সমস্ত শাখা কেন্দ্রে শ্রীমতি রাধারাণীর শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব রাধাষ্টমী যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও রীতিনীতি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাঁকজমক সহকারে পালন করা হয়। রসিক গৌরাঙ্গ দাস জনসংযোগ আধিকারিক ইসকন শ্রী মায়াপুর বলেন, শনিবার শ্রীমতি রাধারানী র আবির্ভাব মহোৎসব রাধা অষ্টমী পালন করা হচ্ছে।

মন্দির প্রাঙ্গণ ফুল ও আলোক মালায় সুসজ্জিত করা হয়েছে, জাতি ,ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশ-বিদেশের বহু ভক্তই উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। রাধা এবং কৃষ্ণ এক ও অভিন্ন, দুজনেই সমান, যেমন দুধ এবং তার ধবলত্ব ,অগ্নি, এবং তার দাহিকা শক্তি, যেমন অভেদ করা যায় না তদ্ রূপ রাধাকৃষ্ণ এক আত্মা ,দুই তনুধারী। ভগবান যুগে যুগে ধরাধামে অবতীর্ণ হন লীলা বিলাসের জন্য। যেমন ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র লীলা সঙ্গিনী রূপে সীতা দেবীকে নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন । তদ রূপে, দ্বাপরে যুগে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ শ্রী রাধারানী অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ত্রিতাপ দগ্ধ দুঃখ জ্বালায় জর্জরিত জীবের নিজ স্বরূপ ভ্রষ্ট জীব সমুহকে পরম অমৃতময় পথের সন্ধান দিতে ৫২৫৩ বছর আগে শ্রীমতি রাধারানী ভাদ্র মাসে শুক্লাষ্টমী তিথিতে সোমবার মধ্যাহ্নকালে রাভেল নামক গ্রামে বৃষ ভানু রাজার গৃহে কীর্তিদা দেবীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

বলা হয় , শ্রীকৃষ্ণের প্রতি রাধারানীর ভালোবাসা ,তার প্রতি যে আকর্ষণ সেটি ছিল বিশুদ্ধ প্রেম। এই বিশুদ্ধ প্রেমের কণা মাত্র মানব কুল গ্রহণ করতে সক্ষম হলে ত্রিলোক ধন্য হবে। বর্তমান বিশ্ব সংকটে নরনারী যৌথ মিলিত শক্তিতে নবজাগরণ ঘটুক মানব সমাজে। রাধারানীরজীবন আদর্শ শিক্ষার প্রসার ঘটুক সমাজ জীবনে। একমাত্র মাতৃ শক্তি প্রকৃত উন্মেষ দিতে পারে আলোর সন্ধান। আজ শুভ রাধারানী র আবির্ভাব তিথিতে প্রার্থনা করি তিনি কৃপা পূর্বক জীবজগতের পরম কল্যাণ সাধন করুন।

follow us newspaper /facebook page/website
